নিরাপত্তা আগে
নজরদারির সন্দেহে আক্রান্ত ডিভাইস নয়—বিশ্বস্ত ডিভাইস থেকে সহায়তা নিন।
ঘটনার ধরন নির্বাচন করুন। কীভাবে প্রমাণ সংরক্ষণ করবেন, কোথায় অভিযোগ করবেন, কীভাবে কনটেন্ট সরানোর চেষ্টা করবেন এবং কখন আইনজীবীর সহায়তা নেবেন—ধাপে ধাপে দেখুন।
এই প্ল্যাটফর্ম কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ বা পাঠায় না।
শারীরিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকলে বা তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রয়োজন হলে জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।
একটি অপশন নির্বাচন করলে আপনার জন্য প্রাসঙ্গিক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ, প্রমাণ এবং প্রতিকার দেখাবে।
কারও সম্মতি ছাড়া অন্তরঙ্গ ছবি/ভিডিও প্রকাশ, শেয়ার বা প্রকাশের হুমকি।
URL/অ্যাড্রেস বার, ব্যবহারকারীর নাম, তারিখ-সময় ও সম্পূর্ণ কথোপকথন রাখুন। মূল ফাইল আলাদা ডিভাইস বা নিরাপদ স্টোরেজে রাখুন।
কারও সম্মতি ছাড়া অন্তরঙ্গ ছবি/ভিডিও প্রকাশ, শেয়ার বা প্রকাশের হুমকি।
URL/অ্যাড্রেস বার, ব্যবহারকারীর নাম, তারিখ-সময় ও সম্পূর্ণ কথোপকথন রাখুন। মূল ফাইল আলাদা ডিভাইস বা নিরাপদ স্টোরেজে রাখুন।
অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে একা দেখা করবেন না। জরুরি ঝুঁকিতে নিরাপদ স্থানে যান এবং 999-এ কল করুন।
স্ক্রিনশট, ইউআরএল, তারিখ-সময়, ব্যবহারকারীর নাম, লেনদেন আইডি, অডিও বা ভিডিও সংরক্ষণ করুন।
রিপোর্ট করার আগে প্রমাণ নিন। পরে পোস্ট, অ্যাকাউন্ট বা কনটেন্ট রিপোর্ট ও ব্লক করুন।
অনলাইন জিডি, থানায় অভিযোগ, বিশেষায়িত সহায়তা বা আইনজীবীর পরামর্শ—ঘটনা অনুযায়ী নির্বাচন করুন।
বিশ্বস্ত ডিভাইস থেকে পাসওয়ার্ড বদলান, সব সেশন বন্ধ করুন এবং ব্যাংক বা MFS-কে দ্রুত জানান।
রিপোর্ট নম্বর সংরক্ষণ করুন, প্রয়োজন হলে মানসিক সহায়তা নিন এবং আইনজীবীর সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করুন।
অভিযোগ করার সময় কেবল কনটেন্টের ছবি নয়—কোথায়, কখন এবং কোন অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছে তা দেখাতে পারা গুরুত্বপূর্ণ।
শিশু যৌন নির্যাতনমূলক ছবি/ভিডিও নিজে ডাউনলোড, স্ক্রিনশট, কপি বা ফরওয়ার্ড করবেন না। লিংক, অ্যাকাউন্ট, সময় ও রিপোর্ট নম্বর লিখে রেখে পুলিশ/শিশু সহায়তায় জানান।
সাইবার অপরাধের শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করবেন এবং কীভাবে আইনি বা মানসিক সহায়তা পাবেন, তার বিস্তারিত তথ্য।
থানায় না গিয়ে অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (GD) করার সরকারি পোর্টাল। প্রমাণ হারিয়ে গেলে বা সাইবার হুমকির প্রাথমিক পদক্ষেপ।
গুরুতর সাইবার হামলা, হ্যাকিং বা প্রতিষ্ঠানের ডেটা ব্রিচ হলে বাংলাদেশ সরকারের সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমে রিপোর্ট করুন।
বিশেষত নারীদের অনলাইনে হয়রানি, ছবি ছড়ানো বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে সরাসরি পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন-এ কল করুন।
সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা বা আইনি পরামর্শের জন্য বাংলাদেশ সরকারের বিনামূল্যে লিগ্যাল এইড হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।
সাইবার বুলিং বা হয়রানির কারণে মানসিক চাপে ভুগলে কান পেতে রই হেল্পলাইনে কথা বলে ইমোশনাল সাপোর্ট নিতে পারেন।
প্রয়োজন অনুযায়ী সরাসরি কল, ইমেইল বা সরকারি পোর্টাল ব্যবহার করুন।
সাইবার অপরাধে আক্রান্ত নারীদের আইনি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়।
অনলাইনে অভিযোগ জমা দিন। অভিযোগ মামলার যোগ্য হলে থানায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।
নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, আইনগত সহায়তা, তদন্ত সমন্বয় এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া সহায়তা।
আইনি পরামর্শ এবং সরকারি আইনগত সহায়তার তথ্যের জন্য জাতীয় হেল্পলাইনে কল করুন।
সাইবার অপরাধ, প্রতারণা ও আইনি সহায়তার জন্য দেশের সকল অনুমোদিত এবং নির্ভরযোগ্য সংস্থার সরাসরি যোগাযোগ তালিকা।
নিরাপত্তা সতর্কতা সেবার নম্বর বা ফি পরিবর্তন হতে পারে। সবসময় অফিসিয়াল মাধ্যম যাচাই করে নিন।
সাইবার অপরাধে আক্রান্ত নারীদের আইনি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়।
থানায় না গিয়ে অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (GD) করার সরকারি পোর্টাল।
নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, আইনগত সহায়তা, তদন্ত সমন্বয় এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া সহায়তা।
আইনি পরামর্শ এবং সরকারি আইনগত সহায়তার তথ্যের জন্য জাতীয় হেল্পলাইন।
গুরুতর সাইবার হামলা, হ্যাকিং বা প্রতিষ্ঠানের ডেটা ব্রিচ হলে ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম।
সাইবার বুলিং বা হয়রানির কারণে মানসিক চাপে বিশ্বস্ত ও গোপনীয় ইমোশনাল সাপোর্ট।
শিশুর অনলাইন নির্যাতন, শোষণ বা সুরক্ষার জন্য জরুরি সরকারি হেল্পলাইন।
যেকোনো তাৎক্ষণিক বিপদ বা শারীরিক সুরক্ষার ঝুঁকিতে দ্রুত সহায়তার জন্য কল করুন।
বড় ধরনের আর্থিক প্রতারণা বা সাইবার অপরাধের তদন্তে পুলিশের বিশেষ বিভাগ।
সুপ্রীম কোর্টে গরিব ও অসহায়দের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান।
আইনি পরামর্শ ও অধিকার রক্ষায় সহায়তাকারী শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি আইনি সহায়তা সংস্থা।
নারী ও কন্যার প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে আইনি ও সামাজিক সহায়তা।
মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আইনি সহায়তার জন্য সুপরিচিত একটি বেসরকারি সংস্থা।
তৃণমূল পর্যায়ে আইনি পরামর্শ ও সালিশি সেবার মাধ্যমে বিরোধ নিরসনে সহায়তা।
অ্যান্টি-মিলিট্যান্ট ও সাইবার অপরাধ দমনে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের বিশেষ সেল।
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার সাইবার অপরাধ ও হ্যাকিং সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত কেন্দ্র।
টেলিযোগাযোগ ও অনলাইন হয়রানি রোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা সচেতনতা এবং অনলাইন হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের পরামর্শ সহায়তা।
কোনো প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করা মানেই ফলাফলের নিশ্চয়তা নয়। সেবা গ্রহণের পূর্বে তাদের কার্যপরিধি যাচাই করুন।
বাংলাদেশের সরকারি উৎস এবং আন্তর্জাতিক ভালো চর্চা থেকে বাছাই করা রিসোর্স। লিংক খোলার আগে প্রকাশক ও ডোমেইন যাচাই করুন।
নজরদারির সন্দেহে আক্রান্ত ডিভাইস নয়—বিশ্বস্ত ডিভাইস থেকে সহায়তা নিন।
URL, ইউজারনেম, সময় ও রিপোর্ট নম্বর রাখুন; তবে শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট ডাউনলোড করবেন না।
প্ল্যাটফর্ম রিপোর্ট, পুলিশ/GD, ব্যাংক/MFS, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও আইনজীবী—একসঙ্গে প্রয়োজন হতে পারে।
অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং রোধে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করার ধাপে ধাপে নির্দেশিকা।
অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অনলাইন থেকে মুছে ফেলার টুল।
পিন কোড চুরি ও ফেক কল প্রতারণা চেনার সহজ উপায় এবং করণীয়।
স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপদ রাখতে ইউনিসেফ ও বিশেষজ্ঞদের গাইডলাইন।
সাইবার অপরাধের শিকার হলে কীভাবে অনলাইনে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে জিডি করবেন।
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির অফিসিয়াল ভিডিও গ্যালারি ও টিউটোরিয়াল।
এই অংশে যাচাইকৃত আইনজীবীর তথ্য, দক্ষতা, অবস্থান, প্রো বোনো যোগ্যতা এবং ফি কাঠামো দেখানো হয়েছে।
বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট, চেম্বারের তথ্য, দক্ষতার ক্ষেত্র, স্বার্থের সংঘাত, প্রো বোনো যোগ্যতা, ফি, গোপনীয়তা ও অভিযোগ প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে দেখান।
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
Expertise: সাইবার ক্রাইম, কর্পোরেট ল'
ঢাকা, বাংলাদেশ
অ্যাডভোকেট, জজ কোর্ট
Expertise: পারিবারিক আইন, সাইবার হয়রানি
ঢাকা, বাংলাদেশ
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
Expertise: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ক্রিমিনাল ডিফেন্স
ঢাকা, বাংলাদেশ
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
Expertise: প্রতারণা, ফিনটেক ও ডেটা প্রাইভেসি
ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রথম পর্যায়ে সংক্ষিপ্ত তথ্য দিন। এই ফর্মে ব্যক্তিগত বা অন্তরঙ্গ ছবি আপলোড করবেন না।
End-to-End secure request format. Your details will be routed confidentially.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৬; পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; শিশু আইন, ২০১৩ এবং ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬—ঘটনার ধরন অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হতে পারে। সুনির্দিষ্ট ধারা ও প্রতিকার আইনজীবীর পরামর্শে যাচাই করুন।
এই ওয়েবসাইট সাধারণ তথ্য ও রেফারেলের জন্য। এটি কোনো নির্দিষ্ট মামলার আইনি পরামর্শ নয়। জরুরি পরিস্থিতিতে সরাসরি পুলিশ বা উপযুক্ত সেবায় যোগাযোগ করুন।